চিঠি দিবসের কবিতা

আজ নাকি চিঠি পাঠাবার দিন।
কিন্তু কী লিখবো?
নাকি অলেখা চিঠিই, তোমায় পাঠাবো?
তোমার মনে যা আসবে,
তাই ভেবে নিও,
আমার বার্তা।
যদি ছুড়ে ফেলে দিতে ইচ্ছে করে,
ছুড়ে ফেলো।
তবুও, আমার ভালোবাসা সে কাগজের মতো
বিলীন হবে না।
আমি চাই তোমার মৌখিক বিবৃতি।
হয়তো হ্যাঁ নয়তো না।
শুধু আশা থাকবে যে,
তুমি আমায়, ফেরাবে না।

আমার সুখ নিখোঁজ হলে

আমার সুখ নিখোঁজ হলে,
খুঁজবো তব হাসিতে।
যমুনার কালো জলেতে নয়,
ডুবতে চাই,
তোমার কাজল দু আঁখিতে।
দেবে কি, প্রিয়া? দেবে কি?
হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে
কিছু দুঃখ, দেবে কি?
তোমাকে দেখার পর থেকে
যে দুঃখকে ভুলেছি।
তোমার মুখাবয়বে ঝরে,
যখন বাঁকা চাঁদের হাসি,
ইচ্ছে করে তোমায় বলতে, 'কতোটা ভালোবাসি'।

সুকান্তের প্রতি

চেয়ে দেখ কবি।
সুদূর অন্তরীক্ষ থেকে, চেয়ে দেখ আজ।
ক্ষুধা মেটাতে সহস্র তরুণ প্রাণ,
ধরেছে তোমার বিপ্লবী সাজ।
তাঁদের তারুণ্যে তোমার উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
উপেক্ষিত তাঁদের মাতৃস্নেহের দাবি।
শুনেছি তোমার আঠারোর জয়গান।
প্রমাণ রেখেছে তাঁরা,
রেখেছে স্বাধীনতার সম্মান।
কিন্তু অগ্নিস্নানের উত্তাপে যেন
তাঁরা হৃদয়কে না পোড়ায়।
কারণ, হৃদয়হীন হৃদয়
প্রেমের অধিকার হারায়।
তবু, সুকান্ত ফিরুক বিপ্লবে কলমে,
প্রতিহত হোক প্রতিবিপ্লব।
নিশ্চিত হোক
জাতি - ধর্ম নির্বিশেষে সকলের গৌরব।

ডাকাত

আরে! কী ব্যাপার! হৃদয় প্রহরী? ডাকাত পড়েছে, জনাব। ডাকাত সর্দারনী! নিরস্ত্র? না, জনাব। তবে? রূপে, স্নিগ্ধতায় লা-জবাব। (হৃদয়ে ডাকাতনীর প্রবেশ) সর্দারনী, কী চাও তুমি? কাঙাল আমি আর আমার হৃদয় যেন ধূসর মরুভূমি। কেবল ভালোবাসা আছে, শেষ সম্বল আমারি। এও কী হে রমনী? তুমি নেবে তবে কাড়ি?